শমীক চক্রবর্তী
সমাজকর্মী। তারই সূত্র ধরে দার্জিলিং-ডুয়ার্সে যাতায়াত এবং বসবাস। নেপালি ভাষা শেখাটা সেভাবে শুরু হলেও এখন দুই ভাষাতেই সাবলীল। নানা সামাজিক-রাজনৈতিক কাজের ফাঁকে নেপালি ভাষা-সাহিত্যের অঙ্গনে ঘোরাঘুরি। নেপালি কবিতা-ছোটগল্প অনুবাদের কিছু কাজ করার পাশাপাশি প্রকাশিত হয়েছে নেপালি থেকে অনূদিত তিনটি উপন্যাস। দুটি দার্জিলিঙের --- সাম্প্রতিককালে সাড়াজাগানো উপন্যাস ফাৎসুঙ, এবং নেপালি সাহিত্যে চিরস্মরণীয় উপন্যাস ‘আজ রমিতা‘, আর অন্যটি নেপাল ক্রান্তিকালের বহু চর্চিত উপন্যাস ‘উর্গেনের ঘোড়া‘। এর পাশাপাশি নেপালিতেও নিয়মিত প্রবন্ধ, পুস্তিকায় লেখালেখি করেন। নেপালি ভাষায় অনুবাদ করেছেন ‘টোকোলোশ‘।