শুরু হল অয়ন মুখোপাধ্যায়ের নতুন ধারাবাহিক কলাম মাটির মানুষের মেটাফিজিক্স। লোকসংস্কৃতি কেবল গ্রামীণ উৎসব বা ঐতিহ্যের স্মারক নয়—এটি প্রান্তিক মানুষের স্মৃতি, প্রতিরোধ ও সামাজিক রাজনীতির চলমান ভাষা। প্রোটিয়াসের মতো রূপ বদলাতে থাকা এই সংস্কৃতিকে ঘিরে ইতিহাস, সাবঅল্টার্ন চর্চা ও সমকালীন বাজার-ডিজিটাল বাস্তবতার ভেতর দিয়ে এই পর্বে লেখক খুঁজেছেন তার প্রকৃত শক্তি ও অর্থ।
লোকসংস্কৃতি: প্রতিরোধের প্রোটিয়াস ও প্রান্তিকের স্বর
জীবনানন্দ দাশ দেখেছিলেন সকলেই কবি নয় কেউ কেউ কবি আর শক্তি চট্টোপাধ্যায় গত দশকে বলেছিলেন, এত কবি কেন? সেই কথার সূত্র ধরেই বলি, এত আঞ্চলিক গবেষক বা লোকসংস্কৃতি বিশেষজ্ঞ কেন। লক্ষ করে দেখবেন আজকাল অনেকেই নিজেদের আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক বা লোকসংস্কৃতি গবেষক হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেছেন। তাই শুরুতেই একটি কথা পরিষ্কার করে জানিয়ে দিতে চাই—আমি কোনো লোকসংস্কৃতি গবেষক নই, এমনকি আঞ্চলিক ইতিহাসের বিশেষজ্ঞও নই।
তাহলে আমার পরিচয় কী?
আমি নিতান্তই একজন অক্ষরকর্মী—একজন লেখক। আমার কাজ মূলত প্রশ্ন তোলা। আমি ইতিহাস, লোকসংস্কৃতি কিংবা সমাজ রাজনীতির—এই বিষয়গুলোকে কোনো চূড়ান্ত সত্যের ভাণ্ডার হিসেবে দেখি না; বরং দেখি জিজ্ঞাসার এক উন্মুক্ত ক্ষেত্র হিসেবে। এই ধারণাগত অবস্থানের ওপর দাঁড়িয়েই আমার এই নিবেদন—নিজের কৌতূহলের সঙ্গে অন্যের কৌতূহলকে যুক্ত করার একটি বিনম্র চেষ্টা।
লোকসংস্কৃতি সম্পর্কে যে প্রশ্নগুলো আমাকে ভাবায়, সেগুলোকে সামনে তুলে ধরাই এই লেখার উদ্দেশ্য। সব প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নেই; হয়তো অনুসন্ধিৎসু পাঠকেরাই সেই উত্তরের সন্ধান দেবেন।
‘লোকসংস্কৃতি’ শব্দটি উচ্চারণ করলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে কিছু চেনা দৃশ্য—মেঠো সুরে গ্রাম ছাড়া ওই রাঙামাটির পথে বাউল গান, দোল বা রথকে কেন্দ্র করে বাঁশি বাজানো গ্রামীণ মেলা, রাস উৎসব, কিংবা পুতুল নাচের ইতিকথা, গ্রামের যাত্রাপালা, ব্রতকথা, মুখোশ কিংবা বিচিত্র আচার-অনুষ্ঠান।
কিন্তু একটু গভীরে প্রবেশ করলেই প্রশ্নটি জেগে ওঠে—লোকসংস্কৃতি আসলে কী?
এই প্রশ্নের সরল কোনো উত্তর নেই।
জীবনানন্দ দাশের কবিতা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে একবার প্রাবন্ধিক জহর সেনমজুমদার ‘ওডিসি’ থেকে একটি গল্পাংশ উদ্ধৃত করে লিখেছিলেন। ট্রয় থেকে ফেরার পথে মেনেলাস সমুদ্রদেবতা প্রোটিয়াসের দেখা পান। প্রোটিয়াস ভবিষ্যৎ জানাতে রাজি হন, কিন্তু শর্ত রাখেন—মেনেলাসকে প্রথমে তাকে শক্ত করে ধরে রাখতে হবে। কিন্তু ধরতে গেলেই দেখা যায়, প্রোটিয়াস সঙ্গে সঙ্গে রূপ বদলে ফেলছেন—কখনও সিংহ, কখনও বৃক্ষ, কখনও বহমান জল।
লোকসংস্কৃতির প্রকৃতিও অনেকটা এই প্রোটিয়াসের মতো। তাকে কোনো নির্দিষ্ট সংজ্ঞার মধ্যে বন্দি করা যায় না বন্দি করতে গেলেই সে রূপ বদলে ফেলে। তাকে একবার ‘লোকজ ঐতিহ্য’ বলে চিহ্নিত করলে সেটা আবার হয়ে যায় সামাজিক আন্দোলনে রূপ; আবার তাকে নিছক বিনোদন মনে করলে তার ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে ইতিহাসের দীর্ঘ স্মৃতি।
কেতাব-ই’র ব্লগজিন বিভাগে লেখা পাঠাতে চান? মেল করুন blogzine.ketabe@gmail.com-এ। মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখুন ‘কেতাব-ই ব্লগজিনের জন্য লেখা’।
জীবনানন্দের কবিতাকে যেমন কেবল ‘আলোর কবিতা’ বা ‘অন্ধকারের কবিতা’ বলে চিহ্নিত করা যায় না, তেমনই লোকসংস্কৃতি ও আলো ও অন্ধকারের এক জটিল সহাবস্থান। জীবনানন্দীয় ভাষায় এই সংস্কৃতি টিকে থাকে সেই—
“প্রকৃতির সাধনার ভিতর; সেই কোন আদিম জননীর কাছে যেন, নির্জন রৌদ্রে ও গাঢ় নীলিমায় নিভৃত কোনো আদিমীর কাছে ... সমস্ত চরাচরের সমস্ত জীবের হৃদয় মৃত্যুহীন স্বর্গীয় ফসলের খেতে বুনবার জন্য।”
মানুষের প্রাগৈতিহাসিক যাপন থেকেই লোকসংস্কৃতির সূচনা। অস্তিত্বের ভেতর যেমন আলো ও অন্ধকার পাশাপাশি কাজ করে, লোকসংস্কৃতির চলাচলও তেমনই দ্বন্দ্বময়। মানুষের সামাজিক যাত্রা মূলত এই অন্ধকার অতিক্রম করে আলোর দিকে এগিয়ে যাওয়ার দীর্ঘ প্রচেষ্টা। মানুষের সেই সৌন্দর্যসন্ধানী অভিযাত্রার মধ্যেই লোকসংস্কৃতির বীজ লুকিয়ে আছে।
তবে এই চলাচল কেবল উৎসব বা মেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। লোকসংস্কৃতি আসলে এক চলমান রূপান্তর। শাসক বা ইতিহাস যখন তাকে কোনো নির্দিষ্ট কাঠামোর স্ট্রাকচারের মধ্যে মধ্যে বন্দি করতে চায়, তখনই সে প্রোটিয়াসের মতো রূপ বদলে ফেলে। এই কারণেই লোকসংস্কৃতি কেবল ‘লোকজ’ নয়; এটি গভীরভাবে সামাজিক এবং রাজনৈতিক। এর ভেতরে লুকিয়ে থাকে স্মৃতি, সত্তা দখল, প্রতিরোধ এবং ক্ষমতার সঙ্গে এক দীর্ঘ টানাপোড়েনের গল্প।
এই জায়গাতেই ইতিহাসচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা—‘সাবঅল্টার্ন স্টাডিজ়’—বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। রণজিৎ গুহ এবং তাঁর সহযাত্রীরা দেখিয়েছিলেন যে, ভারতীয় ইতিহাসচর্চার বড়ো অংশ দীর্ঘদিন ধরে ‘এলিট’ দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। রাষ্ট্র, জাতীয়তাবাদী নেতা বা প্রশাসনিক দলিলের বাইরে যে এক বিশাল জনজীবন রয়েছে, তার নিজস্ব কণ্ঠস্বর ইতিহাসে খুব কমই জায়গা পেয়েছে।
সাবঅল্টার্ন ইতিহাসচর্চা সেই অনুপস্থিত মানুষের অভিজ্ঞতাকে সামনে আনতে চায়। তাদের রাজনীতি সবসময় দলিলের ভাষায় ধরা পড়ে না; বরং তা প্রকাশিত হয় আচার-অনুষ্ঠানে, গুজবে, সমষ্টিগত স্মৃতিতে, বিদ্রোহে এবং প্রতীকের ভেতর দিয়ে।
ঐতিহাসিক শহিদ আমিন দেখিয়েছেন, সাধারণ মানুষ কেবল ইতিহাসের ভুক্তভোগী নয়; তারা ইতিহাসকে মনে রাখে, পুনর্গঠন করে এবং নতুনভাবে ব্যবহারও করে।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ‘পলিটিক্যাল সোসাইটি’ ধারণাও এখানে প্রাসঙ্গিক। আধুনিক রাষ্ট্রের চোখে যে বিপুল জনগোষ্ঠী সবসময় নাগরিক সমাজের পরিপাটি কাঠামোর মধ্যে পড়ে না, তারাও রাজনীতি করে—তবে অন্য ভাষায়। তাদের রাজনীতি প্রকাশ পায় দরকষাকষি, উৎসব, মেলা কিংবা সাংস্কৃতিক সমাবেশের মধ্যে দিয়ে। বাংলার বহু লোকউৎসব সেই অর্থে রাজনৈতিক সমাজের সাংস্কৃতিক মঞ্চ হিসেবেও কাজ করে।
গাজন তার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। গাজনের সন্ন্যাসীদের শরীরী যন্ত্রণা কেবল ধর্মবিশ্বাসের প্রকাশ নয়; এটা এক ধরনের সামাজিক নাট্যভাষা। সেই ভাষার মাধ্যমে গ্রাম নিজের শক্তি ও সমবেত অস্তিত্বকে দৃশ্যমান করে।
আবার গম্ভীরায় নানা-নাতির সংলাপের মধ্যে দিয়ে হাসির আড়ালে ক্ষমতার কেন্দ্রে আঘাত করা হয়। লোকসংস্কৃতির এই ব্যঙ্গাত্মক ভাষা প্রান্তিক মানুষের প্রতিরোধের সূক্ষ্মতম রূপগুলোর একটি।
বারোয়ারি পুজোর ইতিহাসেও আমরা এই পরিবর্তনের সুর শুনতে পাই। গুপ্তিপাড়ায় বারোজন ভদ্রলোক মিলে যে পুজোর সূচনা করেছিলেন, তা ছিল দেবতাকে জমিদার বাড়ির আঙিনা থেকে বের করে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিয়ে আসার এক সামাজিক পদক্ষেপ। দেবতার অধিকার এক অর্থে জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার সাংস্কৃতিক লড়াই।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ‘সবার পুজো’ আবার অন্য ধরনের ক্ষমতার প্রদর্শনী হয়ে উঠছে কি না—সেই প্রশ্নও অস্বস্তিকরভাবে ফিরে আসে। কর্পোরেট পৃষ্ঠপোষকতা, প্রতিযোগিতামূলক বাজেট এবং প্রদর্শনের নতুন সংস্কৃতি অনেক সময় সেই প্রাথমিক সামাজিক চেতনার উপর নতুন আবরণ চাপিয়ে দেয়।
একই ধরনের দ্বন্দ্ব আজ ডিজিটাল মাধ্যমেও আমরা দেখতে পাচ্ছি। আজ বাউল গান, ঝুমুর বা ভাটিয়ালি সহজেই পৌঁছে যাচ্ছে ইউটিউব বা ফেসবুকের পর্দায়। এই ‘ডিজিটাল লোকসংস্কৃতি’ আপাতদৃষ্টিতে গণতান্ত্রিক মনে হলেও তার ভেতরে কাজ করে অ্যালগরিদমের অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণ। লাইক ও ভিউ-এর অর্থনীতি অনেক সময় লোকগানের গভীর সামাজিক অভিজ্ঞতাকে সরিয়ে দিয়ে তাকে কেবল প্রদর্শনের পণ্যে পরিণত করে।
ফলে প্রশ্নটি থেকেই যায়—লোকসংস্কৃতি কি সাধারণ মানুষের, না কি শাসকের অলংকার?
সম্ভবত এই প্রশ্নের কোনো চূড়ান্ত উত্তর নেই। কারণ এই লড়াই চলমান। শাসক তাকে ভাতার শৃঙ্খলে বাঁধতে চায়, বাজার তাকে পণ্য বানাতে চায়, রাষ্ট্র তাকে জাদুঘরের নথিতে বন্দি করতে চায়। তবু লোকসংস্কৃতি বারবার সেই বাঁধন ভেঙে বেরিয়ে আসে। এর প্রকৃত বাসস্থান কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মিউজিয়ামে নয়, কোনো সরকারি নথিতে নয়, এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ গবেষণাপত্রেও নয়। এর আসল বাসস্থান মানুষের স্পন্দিত জীবনে—চৈত্রের ধুলোমাখা মাঠে, প্রান্তিক মানুষের যন্ত্রণায়, সম্মিলিত চাঁদায়, হাসির ঝাঁঝে এবং স্মৃতির স্তরে স্তরে। তাকে সাজিয়ে প্রদর্শনীর মঞ্চে তোলা যায়, মোবাইল স্ক্রিনেও বন্দি করা যায়। কিন্তু তাকে পুরোপুরি শাসকের করে তোলা যায় না। কারণ লোকসংস্কৃতি হল ক্ষমতার প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের নিজস্ব ভাষা—নিজেদের সঙ্গে কথা বলার এবং টিকে থাকার অন্তিম কৌশল।
জীবনানন্দ দাশ তাঁর বাসমতীর উপাখ্যান-এ লিখেছিলেন—
“— নানারকম দুঃখযন্ত্রণার মধ্যে তবুও যুক্তির হার মানিয়ে এক-আধ মুহূর্তের যে শান্তি আসে সেটাকে চিরস্থায়ী করতে চাচ্ছে তবুও তো মানুষ।
— দেখা যাক মানুষ কতদূর পারে।
— তোমার কী মনে হয়?
— এ পর্যন্ত তো ঠকেছে মানুষেরই হাতেই।”
মানুষের হাতে মানুষের এই ‘ঠকে যাওয়া’র ইতিহাসই হয়তো লোকসংস্কৃতির বেদনার আদি উৎস। কিন্তু সেই ঠকে যাওয়ার অভিজ্ঞতা থেকেই জন্ম নেয় নতুন গান, নতুন মেলা, নতুন বিদ্রোহ।
লোকসংস্কৃতি আসলে মানুষের সেই হার-না-মানা শান্তির খোঁজ—যা চিরস্থায়ী হতে চায়। আর এই টিকে থাকার স্পর্ধাকেই ইতিহাসের ভাষায় বলা যায়—“নো পাসারণ।”
শাসকের নাগাল যেখানে শেষ হয়, লোকসংস্কৃতির অবাধ্য যাত্রা সেখান থেকেই শুরু হয়। তবু এখানেই আলোচনার শেষ নয়। লোকসংস্কৃতি নিয়ে ভাবনার ক্ষেত্র ক্রমশ আরও বিস্তৃত হচ্ছে। রাষ্ট্র আজ বহু সময় লোকসংস্কৃতিকে ‘সাংস্কৃতিক সম্পদ’ হিসেবে চিহ্নিত করে তাকে নীতি ও প্রকল্পের কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসতে চায়। পর্যটন, উৎসব কিংবা সরকারি সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে লোকসংস্কৃতি নতুন করে দৃশ্যমান হয়, কিন্তু সেই দৃশ্যমানতার মধ্যেই কখনো-কখনো তার স্বতঃস্ফূর্ত সামাজিক শক্তি ক্ষীণ হয়ে পড়ার আশঙ্কাও থাকে।
একই সঙ্গে বাজারও লোকসংস্কৃতিকে নতুনভাবে ব্যবহার করতে শুরু করেছে। ফোক ফেস্টিভ্যাল, সাংস্কৃতিক পর্যটন কিংবা মিডিয়া প্রযোজনার ভেতর দিয়ে লোকসংস্কৃতি অনেক সময় এক ধরনের ‘সাংস্কৃতিক পণ্য’-তে রূপান্তরিত হয়। এই পণ্যায়ন একদিকে শিল্পীদের নতুন সুযোগ এনে দেয়, আবার অন্যদিকে অনেক সময় তাদের অভিজ্ঞতার গভীরতাকে সরল বিনোদনে রূপান্তরিত করে। ডিজিটাল যুগ এই পরিবর্তনকে আরও দ্রুততর করেছে। আজ ইউটিউব, শর্ট ভিডিয়ো বা সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে লোকসংস্কৃতি এক অভূতপূর্ব দৃশ্যমানতা পেয়েছে।
কিন্তু সেই দৃশ্যমানতার ভেতরেই প্রশ্ন থেকে যায়—এই নতুন মাধ্যম কি লোকসংস্কৃতিকে আরও গণতান্ত্রিক করছে, না কি তাকে অ্যালগরিদমের অর্থনীতির মধ্যে বন্দি করছে?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সহজ নয়। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—লোকসংস্কৃতি কখনও স্থির নয়। এটি ক্রমাগত পরিবর্তনশীল, নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয় এবং আবার নতুন অর্থ সৃষ্টি করে।
ইতিহাসের প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের যে অবাধ্য কণ্ঠস্বর—লোকসংস্কৃতি তারই আরেক সর্বনাম।
কেতাব-ই’র মুদ্রিত বই,ই-বই এবং ব্লগজিন বিভাগের লেখালিখির নিয়মিত খোঁজখবর পেতে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন।
এই ব্লগজিনে প্রকাশিত সমস্ত লেখার বক্তব্য লেখকের নিজস্ব।